আমরা সবাই জানি যে অন্ধকারে চলাফেরার জন্য গাড়ি কিম্বা যান্ত্রিক যানবাহনেরই শুধুমাত্র হেডলাইট থাকে।
কিন্তু একপ্রকার মাছেরও যে অন্ধকারে চলাফেরা করার জন্য সৃষ্টিকর্তা হেডলাইট তৈরি করে দিয়েছেন তা আমরা অনেকেই জানিনা। আসুন জেনে নিই ।
মাছটির নাম ফটোব্লেফেরন ফিশ, আর ডাকনাম হল হেডলাইট মাছ।
ইন্দোনেশিয়ার বান্ডা দ্বীপে এই মাছ বেশী দেখা যায়। এই মাছের দুই চোখের নিচ দিয়ে দুটি সুন্দর আলোক বিচ্ছুরণকারী প্রত্যঙ্গ বা হেডলাইট রয়েছে ।
আর এই আলো কিন্তু বেশ জোরালো, আমাদের সাধারণ টর্চ লাইটের থেকে কম কিছু নয়। এই হেডলাইটের সাহায্যেই এই মাছ অন্ধকারে চলাফেরা করে থাকে। এই বাতির আকর্ষনে অনেক ছোট মাছ এবং জলজ পোকামাকড় এদের সামনে চলে আসে আর সেগুলি দিয়েই এরা উদরপূর্তি করে থাকে।
এছাড়াও এই মাছগুলির দেহের মধ্য দিয়ে এবং চারপাশ দিয়ে নীলাভ টুনি বাতির মত আলো জ্বলে। অন্ধকারে দেখলে মনে হবে কেউ যেন এল ই ডি এবং নিয়ন বাতি দিয়ে মাছটিকে আলোকসজ্জায় সজ্জিত করে দিয়েছে।
শুনলে অবাক হয়ে যাবেন মাছটির আলোকময় এই অংশটি কেটে নিলেও এটার আলো জ্বলতেই থাকে।
কিন্তু একপ্রকার মাছেরও যে অন্ধকারে চলাফেরা করার জন্য সৃষ্টিকর্তা হেডলাইট তৈরি করে দিয়েছেন তা আমরা অনেকেই জানিনা। আসুন জেনে নিই ।
মাছটির নাম ফটোব্লেফেরন ফিশ, আর ডাকনাম হল হেডলাইট মাছ।
ইন্দোনেশিয়ার বান্ডা দ্বীপে এই মাছ বেশী দেখা যায়। এই মাছের দুই চোখের নিচ দিয়ে দুটি সুন্দর আলোক বিচ্ছুরণকারী প্রত্যঙ্গ বা হেডলাইট রয়েছে ।
আর এই আলো কিন্তু বেশ জোরালো, আমাদের সাধারণ টর্চ লাইটের থেকে কম কিছু নয়। এই হেডলাইটের সাহায্যেই এই মাছ অন্ধকারে চলাফেরা করে থাকে। এই বাতির আকর্ষনে অনেক ছোট মাছ এবং জলজ পোকামাকড় এদের সামনে চলে আসে আর সেগুলি দিয়েই এরা উদরপূর্তি করে থাকে।
এছাড়াও এই মাছগুলির দেহের মধ্য দিয়ে এবং চারপাশ দিয়ে নীলাভ টুনি বাতির মত আলো জ্বলে। অন্ধকারে দেখলে মনে হবে কেউ যেন এল ই ডি এবং নিয়ন বাতি দিয়ে মাছটিকে আলোকসজ্জায় সজ্জিত করে দিয়েছে।
শুনলে অবাক হয়ে যাবেন মাছটির আলোকময় এই অংশটি কেটে নিলেও এটার আলো জ্বলতেই থাকে।
