প্রকৃতির আশ্চর্য লীলাখেলা এবং বিষ্ময়ের যেন শেষই নেই। পৃথিবীতে এমন
স্থানও রয়েছে যেখানে প্রতিনিয়ত বিদ্যুতের চমকানি এবং বজ্রপাতের ঘটনা ঘটেই
চলেছে।
দক্ষিন আমেরিকার ভেনেজুয়েলার কাটাটুম্বো নদীর মোহনায় অভাবিত এই ঘটনা ঘটে চলেছে। কাটাটুম্বো নদী দেশটির মারাকাইবো হ্রদে গিয়ে মিসেছে। ৩৬৫ দিনের বছরে ৩০০ দিনেরও বেশি এখানে বিদ্যুৎ চমকায় এবং বজ্রপাত হয়।
বেশিরভাগ সময় এখানে এক ঘন্টায় হাজার বারেরও বেশি বজ্রপাত হয়। আবার কোন কোন সময় মিনিটে ২৮ থেকে ৩০ বারও বিদ্যুৎ চমকায় এখানে।
পৃথিবীতে এই স্থানেই সবসময় "গগনে গরজে মেঘ"। আর সেই কারনেই স্থানটি গিনেস বুকের রেকর্ডেও বিশ্বের সর্বাধিক বিদ্যুৎ চমকের স্থান হিসেবে যায়গা করে নিয়েছে।
সুতরাং এই মারাকাইবো হ্রদ কিম্বা কাটাটুম্বো নদীর কূলে একা বসে থাকলে আর কোন ভরসা না পেলেও অনবরত বিদ্যুতের চমকানি দেখে এবং বজ্রপাতের শব্দে রোমাঞ্চিত হয়ে উঠবে যে কেউই।
দক্ষিন আমেরিকার ভেনেজুয়েলার কাটাটুম্বো নদীর মোহনায় অভাবিত এই ঘটনা ঘটে চলেছে। কাটাটুম্বো নদী দেশটির মারাকাইবো হ্রদে গিয়ে মিসেছে। ৩৬৫ দিনের বছরে ৩০০ দিনেরও বেশি এখানে বিদ্যুৎ চমকায় এবং বজ্রপাত হয়।
বেশিরভাগ সময় এখানে এক ঘন্টায় হাজার বারেরও বেশি বজ্রপাত হয়। আবার কোন কোন সময় মিনিটে ২৮ থেকে ৩০ বারও বিদ্যুৎ চমকায় এখানে।
পৃথিবীতে এই স্থানেই সবসময় "গগনে গরজে মেঘ"। আর সেই কারনেই স্থানটি গিনেস বুকের রেকর্ডেও বিশ্বের সর্বাধিক বিদ্যুৎ চমকের স্থান হিসেবে যায়গা করে নিয়েছে।
সুতরাং এই মারাকাইবো হ্রদ কিম্বা কাটাটুম্বো নদীর কূলে একা বসে থাকলে আর কোন ভরসা না পেলেও অনবরত বিদ্যুতের চমকানি দেখে এবং বজ্রপাতের শব্দে রোমাঞ্চিত হয়ে উঠবে যে কেউই।




